Skip to main content

চা বিস্কুট খেতে খেতে ভাইভা দেবেন বিসিএস পরীক্ষার্থীরা

চা বিস্কুট খেতে খেতে ভাইভা দেবেন বিসিএস পরীক্ষার্থীরা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) মৌখিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের ভীতি কাটাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এজন্য প্রথমবারের মতো ৩৮তম বিসিএসের ভাইভা পরীক্ষায় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে পানির পাশাপাশি এক কাপ চা ও একটি বিস্কুটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক ইত্তেফাককে বলেন, মৌখিক পরীক্ষার টেবিলে জড়তা দূর করতে কমিশনের পক্ষ থেকে সামান্য পরিসরে প্রতি পরীক্ষার্থীর জন্য পানি, এক কাপ চা ও বিস্কুটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটি পরীক্ষার্থীদের দেওয়া ফির অংশ থেকে করা হয়েছে। আমি মনে করি, এতে এক জন পরীক্ষার্থী কিছুটা হলেও সাবলীলভাবে প্রশ্নের জবাব দিতে উপকৃত হচ্ছেন।

গত ২৯ জুলাই থেকে ৩৮তম বিসিএসের সাধারণ ক্যাডারে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়। ঈদের আগে গত ১ আগস্ট পর্যন্ত ভাইভা চলে। গত মঙ্গলবার থেকে পুনরায় ভাইভা শুরু হয়েছে। সাধারণ ক্যাডারের এই ভাইভা চলবে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর সাধারণ ও প্রফেশনাল ক্যাডারে এবং সবশেষ কারিগরি ক্যাডারের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। ৩৮তম বিসিএসের ভাইভায় অংশগ্রহণ শেষে বেশকয়েকজন পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, এর আগে কখনো পিএসসির পক্ষ থেকে এ ধরনের ব্যবস্থা ছিল না। ক্ষুদ্র আয়োজন হলেও পরীক্ষার্থীদের জন্য এটি বিশাল ব্যাপার।

এদিকে, বিসিএসের ভাইভা পরীক্ষায় করা পরীক্ষকের প্রশ্ন পরীক্ষার্থীরা বাইরে ফাঁস করছেন বলে অভিযোগ এসেছে। দেখা গেছে, ভাইভাতে কী কী প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয়েছে তা জানতে অপেক্ষমাণ প্রার্থীরা হুমড়ি খেয়ে বোর্ড থেকে বেরিয়ে আসা প্রার্থীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রার্থীরাও কোনো কিছু চিন্তা না করে তাদেরকে করা সব প্রশ্ন বলে দিচ্ছেন। ফলে যখন ভাইভা বোর্ডের প্রশ্নগুলো সবার সঙ্গে শেয়ার হচ্ছে তখন বাকিরা সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এটি নিয়ে পিএসসি পরীক্ষার্থীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও তা মানা হচ্ছে না। তাই পিএসসির পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের কাছেও এ ধরনের অভিযোগ এসেছে। একজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কাম্য নয়। ভাইভা পরীক্ষা গোপনীয় বিষয়। সেটি কোনোভাবেই বাইরে অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের কাছে প্রকাশ করা ঠিক নয়।


Comments

Popular posts from this blog

বিষয় ভিত্তিক আয়াত-হাদিসঃ মুমিনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য - দাওয়াত - সংগঠন - প্রশিক্ষণ - ইসলামী শিক্ষা - ইসলামী বিপ্লব

বিষয় ভিত্তিক আয়াত-হাদিসঃ মুমিনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য - দাওয়াত - সংগঠন - প্রশিক্ষণ - ইসলামী শিক্ষা - ইসলামী বিপ্লব মুমিনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কুরআন انى وجهت وجهى للذي فطر السموات والارض حنيفا وما انا من المشركين ـ (انعام ـ 79) উচ্চারণ: : ইন্নী ওয়াজজাহাতু ওয়াজহিইয়া লিল্লাযী ফাতরাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাও ওয়া মা আনা মিনাল মুশরিকীন। (১) আমি তো একমুখী হয়ে নিজের লক্ষ্য সেই মহান সত্তার দিকে কেন্দ্রীভূত করছি যিনি যমীন ও আসমানসমূহকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি কনিকালেও মুশরিকদের মধ্যে শামিল নই। (সূরা আনয়াম: ৭৯) قل ان صلاتى ونسكى ومحياي ومماتى لله رب العلمين ـ (انعام :162) উচ্চারণ: : কুল ইন্না ছালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়াইয়া ওযা মামাতী লিল্লাহি রাব্বিল আ’লামীন। (২) বল, আমার নামায, আমার যাবতীয় ইবাদত, আমরা জীবন ও মৃত্যু সবকিছুই সারা জাহানের রব আল্লাহরই জন্য। (সূরা আনয়াম: ১৬২) وما خلقت الجن والانس الا ليعبدون ـ (ذارية ـ 56) উচ্চারণ: : ওয়া মা খলাকতুল জিন্না ওয়াল ইনসা ইল্লা লিইয়া’বুদূন। (৩) আমি জ্বিন ও মানুষকে অন্য কোন উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি, কেবল এজন্য সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার বন্...

সাইয়েদ কুতুব শহীদের জীবনী

ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ সাইয়েদ কুতুব শহীদ জন্ম ও শিক্ষাজীবন সাইয়েদ কুতুবের মূল নাম হলো সাইয়েদ ; কুতুব তার বংশীয় উপাধি। তার পূর্বপুরুষরা আরব উপদ্বীপ থেকে এসে মিসরের উত্তরাঞ্চলে বসবাস শুরু করেন। তার পিতার নাম হাজী ইবরাহীম কুতুব। তিনি চাষাবাদ করতেন। তার মাতার নাম ফাতিমা হোসাইন উসমান , যিনি অত্যন্ত ধার্মিক মহিলা ছিলেন। তারা মোট দুই ভাই এবং তিন বোন ছিলেন। ভাইরা হলেন সাইয়েদ কুতুব এবং মুহাম্মাদ কুতুব। আর বোনেরা হলেন হামিদা কুতুব এবং আমিনা কুতুব। পঞ্চম বোনের নাম জানা যায়নি। সাইয়েদ কুতুব ছিলেন সবার বড়। তারা সব ভাই-বোনই উচ্চশিক্ষা লাভ করেন এবং ইসলামী আন্দোলনের জন্য প্রভূত ত্যাগ স্বীকার করেন। সাইয়েদ কুতুব ১৯০৬ সালে মিসরের উসইউত জিলার মুশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার আম্মা ফাতিমা হোসাইন উসমান অত্যন্ত দ্বীনদার ও আল্লাহভীরু মহিলা ছিলেন। সাইয়েদের পিতা হাজী ইবরাহীম চাষাবাদ করতেন কিন্তু তিনিও ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ ও চরিত্রবান। কর্মজীবন গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাইয়েদ কুতুবের শিক্ষা শুরু হয়। মায়ের ইচ্ছানুসারে তিনি শৈশবেই কোরআন হেফয করেন। পরবর্তীকালে তার পিতা কায়রো ...

দারসুল কোরআন-সৃরা বাকারা- আয়াত ১৫৩-১৫৫

দারসুল কোরআন.................. ياَيُّهَا الَّذِيْنَ امَنُوْا اسْتَعِيْنُوْا بِالصَّبْرِ وَالصَّلوةِ ج اِنَّ اللهَ مَعَ الصَّابِرِيْنَ 0 وَلاَ تَقُوْلُوْا لِمَنْ يُّقْتَلُ فِىْ سَبِيْلِ اللهِ اَمْوَاتٌ ج بَلْ اَحْيَاءٌ وَّلكِنْ لاَ تَشْعُرُوْنَ 0 وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِّنَ الْخَوْفِ وَالْجُوْعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الاَمْوَالِ وَالاَنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ ط وَبَشِّرِ الصَّابِرِيْنَ 0 ভাবানুবাদ ১৫৩. ‘ওহে তোমরা যারা ঈমান এনেছো, সবর ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাও। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবর অবলম্বনকারীদের সঙ্গে আছেন। ১৫৪.    আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়, তাদেরকে তোমরা ‘মৃত’ বলো না। তারা তো আসলে জীবিত। কিন্তু তোমরা তা অনুধাবন করতে পার না। ১৫৫.    এবং আমি অবশ্যই তোমাদেরকে ভীতিপ্রদ পরিস্থিতি, ুধা-অনাহার এবং অর্থ-সম্পদ, জান ও আয়-উপার্জনের লোকসান ঘটিয়ে পরীা করবো। এমতাবস্থায় যারা সবর অবলম্বন করবে, তাদেরকে সুসংবাদ দাও।’ শানে-নজুল নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তেরোটি বছর মাক্কায় ইসলামের দাওয়াত পেশ করেন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। সত্য-সন্ধানী কিছু সংখ্যক ল...